উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

এক সপ্তাহে ৪ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: বর্বরতায় ফুঁসছে দেশ, গ্রেপ্তার ৪

এক সপ্তাহে ৪ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা: বর্বরতায় ফুঁসছে দেশ, গ্রেপ্তার ৪
লেখা বড়/ছোট করুন:

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৪টি অবুঝ শিশুকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক এমন চরম পাশবিক ও অমানবিক বর্বরতার খবরে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলে অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হচ্ছে। এই ৪টি রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যেই পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪ জন প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

​তদন্ত ও পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত সাত দিনে দেশের ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় এই নির্মম অপরাধগুলো সংঘটিত হয়। প্রতিটি ঘটনায় শিশুদের একা পেয়ে বা প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণের পর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয় এবং পরবর্তীতে পরিচয় গোপন ও অপরাধ আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে তাদের হত্যা করা হয়।

​আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মাঠে নেমেছিল পুলিশ। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়। এর ফলেই মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৪টি ভিন্ন মামলার মূল হোতাদের সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং কেউ কেউ আদালতে ১৬৪ ধারায় নিজেদের অপরাধের কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অপরাধীদের এমন নিষ্ঠুর আচরণে চরম ক্ষুব্ধ ও শঙ্কিত স্থানীয় সাধারণ মানুষ। মানবাধিকার কর্মী ও সচেতন নাগরিকরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস কেউ না পায়।

​পুলিশের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, সবগুলো মামলার নথিপত্র ও বৈজ্ঞানিক আলামত অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে নিখুঁত চার্জশিট দাখিল করা হবে।

আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!