ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ছাত্রদল নেতা কর্তৃক শিবির নেতাকে চড় দেওয়ার জেরে গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, ধস্তাধস্তি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও ছবি বিশ্লেষণ করে ক্যাম্পাস সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকার অন্তত ১৯ জন অস্ত্রধারীর পরিচয় পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রয়েছেন।
ঘটনার পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার ও বহিরাগত প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে; প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রবেশপথে শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড যাচাই করা হচ্ছে। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের কোনো তৎপরতা না থাকলেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দলীয় টেন্টে আড্ডা এবং প্রধান ফটকে মোটরসাইকেল শোডাউন ও জামায়াত-শিবিরবিরোধী স্লোগান দিতে দেখা গেছে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতি ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানান, ক্যাম্পাস ও হলের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম জানান, তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে; বহিরাগতদের প্রবেশসহ সার্বিক বিষয় তদন্ত করা হবে।
মন্তব্য (0)
আপনার মন্তব্য লিখুন
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!