উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

কেরানীগঞ্জে ১০ দিনে ৭ মরদেহ উদ্ধার, উদ্বেগে এলাকাবাসী

কেরানীগঞ্জে ১০ দিনে ৭ মরদেহ উদ্ধার, উদ্বেগে এলাকাবাসী
লেখা বড়/ছোট করুন:

ঢাকার কেরানীগঞ্জে গত ১০ দিনে সাতটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে প্রেমজনিত হত্যাকাণ্ড, ছুরিকাঘাতে হত্যা ও রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা রয়েছে। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নে আদদ্বীন মোমিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেছনে একটি পরিত্যক্ত ইটভাটার জঙ্গল থেকে মো. চান মিয়া (৬৫) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

গত ৩০ জুলাই হযরতপুরের ভাটারাকান্দি এলাকা থেকে অটোরিকশাচালক লিয়াকত আলীর (৬০) ছুরিকাঘাতে নিহত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ২৮ জুলাই কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মদিনানগর এলাকায় কিশোরী তানজিলা হত্যাকাণ্ড। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পিবিআই প্রেমিক রানা হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি, মোবাইল ফোন ও লুট হওয়া অলংকার উদ্ধার করা হয়। পরে আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

গত ২৬ জুলাই খোলামোড়া এলাকায় মমতাজ (৩০) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটন করে অভিযুক্ত মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। একই দিনে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের একটি পরিত্যক্ত প্লট থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ধারাবাহিক এসব ঘটনায় এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!