উৎসবের রঙে সাজছে...
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড

যুদ্ধাপরাধের দায়ে কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড
লেখা বড়/ছোট করুন:

যুদ্ধাপরাধের মামলায় দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ কসোভোর সাবেক প্রেসিডেন্ট হাশিম থাচিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কসোভোর যুদ্ধাপরাধবিষয়ক একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেন। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

৫৮ বছর বয়সী থাচিকে ১৯৯০-এর দশকে সার্বিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সময় জাতিগত আলবেনীয়দের কসোভো লিবারেশন আর্মির (কেএলএ) শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও বেআইনি আটকের মতো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

বিচারকদের প্যানেল বলেছে, চার আসামিরই যৌথ অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছিল, তারা প্রত্যেকেই তাতে ভূমিকা রেখেছিলেন। পাশাপাশি ওই অভিন্ন অপরাধমূলক উদ্দেশ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অপরাধগুলো সংঘটিত করার ইচ্ছাও তাদের ছিল।

বিচারক বলেন, এসব কারণে প্যানেল চার আসামিকেই যৌথ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদানের মাধ্যমে বেআইনি আটকের যুদ্ধাপরাধের জন্য অপরাধমূলকভাবে দায়ী বলে মনে করেছে। ওই মামলায় ৩৮৫ জনকে বেআইনিভাবে আটক, ৪৯ জনের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ, ৩০৩ জনকে নির্যাতন এবং ৯৬ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

হেগের যুদ্ধাপরাধবিষয়ক ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটররা থাচি এবং কেএলএর সাবেক তিন উচ্চপদস্থ কমান্ডার কাদ্রি ভেসেলি, রেজেপ সেলিমি ও ইয়াকুপ ক্রাসনিকির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪৫ বছরের কারাদণ্ডের আবেদন করেছিলেন। চার আসামিই যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ অস্বীকার করেন। ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর চারজনের বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগপত্র অনুমোদনের পর তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

১৯৬৮ সালে জন্ম নেওয়া থাচি ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কসোভোর প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সালে পদত্যাগ করা পর্যন্ত তিনি দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসোভো একতরফাভাবে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তবে সার্বিয়া এখনও কসোভোকে তাদের নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে।



আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!