উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী
লেখা বড়/ছোট করুন:

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হবে। মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বিমানমন্ত্রী বলেন, আমরা এই টার্মিনালটি উদ্বোধন করতে চাই। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই টার্মিনালের শুধু ভবনটি উদ্বোধন করা হয়েছিল, এটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এই টার্মিনালে ইন্টারনেট নেই, মেশিনপত্রের ব্যবস্থাপনা নেই এবং এটি কীভাবে উদ্বোধন হবে, তার কোনো চিন্তাভাবনা ছিল না।

তিনি আরও বলেন, রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাংলাদেশিরা পাবে, বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানি পাবে—এমনটি কথা ছিল। আমার বারবার মিটিং করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রেভিনিউ ২৭ শতাংশ আনতে সক্ষম হয়েছি। ২৭ শতাংশ আনতে পারলে আমাদের ঋণটা পরিশোধ করা যাবে। এটি জাইকার ঋণে করা হয়েছে।

অন্যান্য খাতের আয় থেকে এই টার্মিনালের ঋণের কিস্তি ইতোমধ্যে দেওয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, টার্মিনালটির কিস্তি আমাদের সিভিল এভিয়েশনের আয় থেকে দিতে হচ্ছে। আমরা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে দিয়েছি এবং ডিসেম্বরে আরও ৯০০ কোটি টাকা দিতে হবে। এই টার্মিনালটা চালু না করা গেলে এভাবেই অন্যান্য খাত থেকে আমাদের ঋণ শোধ করতে হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৬ ডিসেম্বরে আংশিক হলেও যাতে আমরা এটি চালু করতে পারি।

এর আগে, ৩০ আগস্ট রশিদুজ্জামান মিল্লাত সংসদে বলেন, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নামে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একটি ভবন উদ্বোধন করেছিল। এর অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো হয়নি। এটা চালু করতে হলে ৯০২ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

২০১৭ সালে আওয়ামী লীগ সরকার তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প নেয়। ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। এই ব্যয়ের মধ্যে সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এবং বাকি অর্থ জাপানি সংস্থা জাইকার ঋণ।


আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!