উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

পরকীয়া প্রেমিকের সংবেদনশীল অঙ্গ কেটে হত্যা, নারী গ্রেপ্তার

পরকীয়া প্রেমিকের সংবেদনশীল অঙ্গ কেটে হত্যা, নারী গ্রেপ্তার
লেখা বড়/ছোট করুন:

রাজধানীর মহাখালীতে ভাড়া বাসায় প্রেমিক মামুন মিয়াকে (৩০) প্রথমে পুরুষাঙ্গ কেটে এবং পরে পেটে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার নারী বিউটি আক্তারকে (২৯) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।


রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ রোববার শুনানির সময় আসামি বিউটি আক্তারের পক্ষে আদালতে কোনো জামিনের আবেদন ছিল না। এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই তারেক হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জেলহাজতে আটকে রাখার আবেদন জানান।


মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মামুন মিয়া ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার সা-মালিহাটি গ্রামের ছেলে। গ্রেপ্তার আসামি বিউটি আক্তার একই জেলার গফরগাঁও থানার নিগুয়ারী গ্রামের মেয়ে। বিগত প্রায় এক বছর আগে ননদ সাইদা আক্তার লাকীর মাধ্যমে মামুনের সঙ্গে বিউটির পরিচয় ও পরবর্তীতে গোপন পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা বাদীর পরিবার জানত না।


গত ১০ জুলাই চিকিৎসার কথা বলে ঢাকায় আসেন বিউটি এবং বনানী থানার মহাখালী টিবি গেট পূর্বপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়ায় ওঠেন। পরদিন ১১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে মামুন ওই ভাড়া বাসায় বিউটির সঙ্গে দেখা করতে গেলে বিউটি তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকেন।


অভিযোগে আরো বলা হয়, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুপুর দেড়টার দিকে বিউটি ফল কাটার ধারালো চাকু দিয়ে মামুনের পুরুষাঙ্গে আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন। মামুন প্রচণ্ড রক্তক্ষরণে লুটিয়ে পড়লে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিউটি একই চাকু দিয়ে মামুনের পেটের বাঁ পাশে একাধিক আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। পরে মামুনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই সন্ধ্যা ৭টার দিকে মামুন মারা যান।


এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মামুনের চাচা বনানী থানায় একটি মামলা করেন।

আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!