উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

সরকারি ক্রয় আইনে বড় পরিবর্তন, মন্ত্রিসভার অনুমোদন

সরকারি ক্রয় আইনে বড় পরিবর্তন, মন্ত্রিসভার অনুমোদন
লেখা বড়/ছোট করুন:

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬'-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২৬তম বৈঠকে এ অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) উদ্যোগে প্রণীত খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং-সাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন আইনে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন শ্রেণির দরপত্রদাতার অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী দরপত্রদাতা এবং সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালি আধুনিকায়ন, সম্পদের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির অধিকতর প্রয়োগ এবং পেশাগত অসদাচরণসংক্রান্ত বিধান স্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার বিধানও যুক্ত করা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি ক্রয়ের মূল আইনি কাঠামো 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬' এ পর্যন্ত ছয় দফা সংশোধন করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬' জারি করে আইনটিতে সংশোধন আনা হয়।

নতুন সংশোধনী আইনের খসড়া জনমত যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) এবং আইএমইডির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দিতে বিলটি জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।


আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!