উৎসবের রঙে সাজছে...
আন্তর্জাতিক

উত্তেজনার মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ইরানের

উত্তেজনার মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও গতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ইরানের
লেখা বড়/ছোট করুন:

ইরানের সেনাবাহিনী নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ও গতি বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহেরের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যুদ্ধের পর ইরানের সেনাবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছে। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড এবং কূটনীতি প্রত্যাখ্যানের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা যখন অব্যাহত রয়েছে, তখন এমন সিদ্ধান্তের কথা জানাল দেশটি।

আকরামিনিয়া বলেন, 'যুদ্ধের সময় আমরা যে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছি—বিশেষ করে স্থলবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলো কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত করেছে এবং নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে নিক্ষেপ করা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, যেগুলো শত্রুর জাহাজে আঘাত করেছে—সেগুলো খুব ভালোভাবে কাজ করেছে এবং কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'তবে আমরা সিদ্ধান্তে এসেছি যে, এসব ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ও পাল্লা বাড়াতে হবে। কারণ এখন শত্রুরা আমাদের উপকূল থেকে আরও দূরে, প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থান করছে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এসব ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বাড়াব।'

এই উন্নয়ন সেনাবাহিনীর সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রেই করা হবে বলে জানান তিনি। বলেন, 'ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের গতি ও নির্ভুলতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।' ভবিষ্যতের নতুন প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোতে এসব উন্নত সক্ষমতা আরও বেশি কাজে লাগানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইরান বলেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দেশটির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করে। এ সময় ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডারদের হত্যা করা হয়। এর ৪০ দিন পর ইরানের প্রতিরোধ, সফল পাল্টা অভিযান এবং হরমুজ প্রণালিতে দৃঢ় নিয়ন্ত্রণের মুখে ওয়াশিংটন ও তেলআবিব যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে বাধ্য হয় বলে ইরানের বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

তেহরানের অভিযোগ, যুদ্ধ শেষ করার জন্য গত ১৭ জুন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন করে জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর একের পর এক প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালায় এবং দেশটির ওপর আরোপ করে নৌ অবরোধ।


আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!