উৎসবের রঙে সাজছে...
জাতীয়

২-১ মাসের মধ্যেই অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা

২-১ মাসের মধ্যেই অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা
লেখা বড়/ছোট করুন:

আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এমনটা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, এ বছর নির্মোহভাবে খাতার মূল্যায়ন করা হয়েছে। মেধার মূল্যায়ন করা হয়েছে। পরীক্ষার সাফল্য বা ব্যর্থতা জীবনের সাফল্য ও ব্যর্থতার মানদণ্ড নয়। এক বা দুই সাবজেক্টে অকৃতকার্যদের জন্য পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এক বা দুই মাসের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, চলতি বছর সব বোর্ডে একক প্রশ্নে পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ শিক্ষার্থী এক বিষয়ে এবং ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। অকৃতকার্য মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জনের পুনঃপরীক্ষা নিতে হবে। এ ছাড়া খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।

এর আগে শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাস করেছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৬ জন।

এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ৭১৪ জন। পাশাপাশি কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী। এ ছাড়া বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৫০ জন।

এদিকে যশোর বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২২৮ জন। পাশাপাশি দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩ জন। এ ছাড়া সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন।

অন্যদিকে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৫২০ জন। পাশাপাশি ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ১৩৭ জন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯২৯ জন।

এ ছাড়া মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৮৬ জন শিক্ষার্থী।


আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন?

শেয়ার করুন:

মন্তব্য (0)

আপনার মন্তব্য লিখুন

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন!